বৃহস্পতিবর, ৩০ মে ২০২৪, সময় : ০৩:৩৩ am

সংবাদ শিরোনাম ::
মোহনপুরে বকুল আর পবায় ডাবলুকে চেয়ারম্যান ঘোষণা মোহনপুরে সেই নির্যাতিত হাবিবার নারী ভাইস-চেয়ারম্যানপদে বাজিমাত ‘কোথাও নির্বাচনে সহিংসতার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা’ পবায় সীল মারা ব্যালট নিয়ে বুথের মধ্যেই ছাত্রলীগ নেতার সেলফি! বাগমারার গোবিন্দপাড়া ইউপির উন্মক্ত বাজেট ঘোষণা বাগমারায় ঠিকাদারের ওপর হামলাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে ২৩ জন উপজেলা চেয়ারম্যান শপথ নিলেন আজ মঙ্গলবার মোহনপুরে চেয়ারম্যানপ্রার্থী বকুলের নির্বাচনী ইশতেহার ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার চলবে ২০টি বিশেষ ট্রেন সাবেক আইজিপি বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের দুদকে তলব নাচোলে দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকার আহবান নতুনধারার নগরীতে চাঁদার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার ম্যুরাল নির্মাণ কাজ বন্ধ রিমাল তাণ্ডবে বিদ্যুৎ বিঘ্নিত : ১৫ হাজার মোবাইল টাওয়ার অচল দশজনের প্রাণ কেড়ে নিলো ‘রিমাল’, দেড় লাখ ঘরের ক্ষতি তানোরে ডিবি পুলিশ কর্তৃক মাদকসহ দুই ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সকল সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বাগমারায় ঠিকাদারদের ওপর হামলা, কিশোর গ্যাংয়ের ১ ক্যাডার গ্রেফতার ঠিকাদারের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, প্রতিবাদে কর্মবিরতি ঘোষণা বাগমারায় মাদকসেবীর হামলায় ব্যবসায়ী আহত
কেন চালু হয়েছিল বিশ্ব হাসি দিবস? জেনে নিন

কেন চালু হয়েছিল বিশ্ব হাসি দিবস? জেনে নিন

নয়াদিল্লি: কথায় বলে, যে কোনও অসুখের সবচেয়ে ভালো ওষুধ হচ্ছে হাসি। প্রতিবছর মে মাসের প্রথম রবিবার পালন করা হয় বিশ্ব হাসি দিবস। কেবল মন নয়, শরীরও নাকি ভালো রাখে হাসি। চিন্তা কমানো থেকে শুরু করে, শরীরের পেশীকে আরাম দেওয়া এমনকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও নাকি সাহায়্য করে প্রাণখোলা হাসি!

গোটা বিশ্বে প্রায় সমস্ত জায়গাতেই পালন করা হয় আজকের দিনটি। বিভিন্ন জায়গায় বার করা হয় র‍্যালি।১৯৬৩ সালে হার্ভি বল প্রথম কিছু ব্যবসায়ীক কারণে তৈরি করেন স্মাইলি বা হাসি-র চিহ্নটি। এরপরেই কোনও কিছু ভালো বোঝাতে বা উৎসাহ দেওয়া জন্য জনপ্রিয় হয়ে যায় এই চিহ্নটি। প্রথম ১৯৯৯ সালে সেই চিহ্নকে সামনে রেখেই পালিত হয় ওয়ার্ল্ড স্মাইল ডে বা বিশ্ব হাসি দিবস। ২০০১ সালে হার্ভি মারা গেলে ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে তাঁর শ্রদ্ধায় প্রতি বছর পালন করা হয় এই দিনটি।

অন্য আরেকটি সূত্র থেকে জানা যায়, ড. মদন কাটারিয়ার ১৯৯৮ সালে প্রথম চালু করেন এই বিশ্ব হাসি দিবসের। তিনি যোগাসনে হাসির উপযোগিতাকে তুলে ধরেন। হাসি মানসিকভাবে মানুষকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে পারে বলে দাবি করেন তিনি। হাসির কিছু বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে নাকি দীর্ঘদিন সুস্থভাবে জীবন যাপন করা যায় বলেও দাবি করেন তিনি।

হাসির জন্য বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে বিশেষ ক্লাব। পার্ক ও অন্যান্য ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন মানুষ জড়ো হন হাসির মাধ্যমে শরীর ভালো রাখতে। এই বিশেষ দিনটিও মানুষ চিরকালই এভাবে উৎযাপন করে এসেছেন। কিন্তু এখন করোনা আবহে লকডাউনের মধ্যে প্রত্যেকেই নিজের বাড়িতে পালন করলেন বিশ্ব হাসি দিবস।

স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ads




© All rights reserved © 2021 ajkertanore.com
Developed by- .:: SHUMANBD ::.