রবিবর, ০৮ েপ্টেম্বর ২০২৪, সময় : ০৮:৪৩ am

সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিকতাই হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পেশা : খায়রুল আলম রফিক হাসিনাকে চুপ থাকতে বলায় ড. ইউনূসের প্রতি নারাজ মোদি? জাতীয় সঙ্গীত নয়, অর্থনীতি নিয়ে ভাবনার আহবান নতুনধারার বাগমারায় অবিষ্ফোরিত ককটেলসহ দুই বস্তা অস্ত্র উদ্ধার আরএমপি’র নতুন পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান নিয়ামতপুরে জমি ও বাড়ি দখলের অভিযোগ রামেবির ভিসির দায়িত্ব ক্ষমতাচ্যুত আ.লীগের দোসরকে নিয়োগ না দেওয়ার দাবি রামেবির নার্সিং শিক্ষার্থীদের ‘প্রতীকি পরীক্ষা ও বিষপান অসুস্থ শিক্ষার্থীরা জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু করবে না অন্তর্র্বতীকালীন সরকার: ধর্ম উপদেষ্টা বঙ্গবন্ধু সেতুতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত ৩ জাতিসংঘে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল জাতির ক্রাইসিস চলছে, এজন্য নির্বাচন দেরিতে চাইছে জামায়াত জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে রাজশাহীতে প্রতিবাদী মানববন্ধন বিএসএফের গুলিতে কিশোরী স্বর্ণা দাসের মৃত্যুতে ভারতকে আহমদ শফী আশরাফী’র নিন্দা তানোরে বিএনপি নেতার মামলায় আ.লীগের দুই ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩ জন গ্রেপ্তার বাগমারায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি গ্রেফতার মোহনপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাক ব্যাংকের এরিয়া ম্যানেজার নিহত নগরীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশন পদত্যাগ মোহনপুরে ট্রাকের ধাক্কায় এনজিও কর্মী নিহত
শিশুর স্বীকারোক্তির সাক্ষ্য মূল্য নেই

শিশুর স্বীকারোক্তির সাক্ষ্য মূল্য নেই

আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো (আসামি) শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির আইনগত কোনো সাক্ষ্য মূল্য নেই বলে হাইকোর্ট এক রায়ে উল্লেখ করেছেন। আদালত বলেছেন, অপরাধ স্বীকার করে শিশুর দেওয়া জবানবন্দির (স্বীকারোক্তি) ভিত্তিতে তাকে দোষী প্রমাণ করা যাবে না।

‘মো. আনিস মিয়া বনাম রাষ্ট্র’ নামে এক মামলায় হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ থেকে এ সিদ্ধান্ত এসেছে। বিচারপতি মো. শওকত হোসেন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দস ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ ২০১৯ সালের ২৮ আগস্ট ওই রায় দেন। সম্প্রতি ৬৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বলা হয়, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশুর বিচারের এখতিয়ার শিশু আদালতের। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কোনোভাবে শিশু আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে না। অপরাধ যাই থাকুক না কেন শিশুদের ক্ষেত্রে দশ বছরের বেশি আটকাদেশ দেওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুসারে অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সবাই শিশু হিসেবে গণ্য হবে।

আইনজীবী সূত্র জানায়, একটি হত্যা মামলায় ২০১১ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এবং শিশু আদালতের রায়ে এক শিশুর দশ বছরের কারাদণ্ড হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও ১৯৭৪ সালের শিশু আইনে ওই সাজা দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে শিশুটির পক্ষে হাইকোর্ট আপিল করা হয়। এ মামলায় অন্য কয়েকজন আসামির মৃত্যুদণ্ড হয়। তাদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও শিশুটির আপিল হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ওই শিশুর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায়। এই জবানবন্দি গ্রহণের যৌক্তিকতা ও শিশু আদালতের এখতিয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন জড়িত থাকায় বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করার জন্য বিষয়টি তখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি ওই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে দেন। তিন সদস্যের বেঞ্চের রায়ে আনিসের সাজা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

আদালতে আপিলকারী মো. আনিস মিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও মো. আবু হানিফ। অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের আইনি ব্যাখ্যাকারী) হিসেবে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এম আই ফারুকী ও শাহদীন মালিক।

আপিল শুনানির সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের লিখিত বক্তব্য আদালতে তুলে ধরেছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। বৃহস্পতিবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পেয়েছেন। রায় অনুযায়ী শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনো সাক্ষ্য মূল নেই।

স্নায়ুবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে ১৮ বছরের নিচে কোনো শিশুর শারীরিক ও মানসিক গঠন পর্যাপ্ত হয় না। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ওই হত্যা মামলায় আনিসকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিশু আদালত হিসেবে সাজা প্রদান করেন, যা আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তথ্যসুত্র : প্রথমআলো। আজকের তানোর

স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ads




© All rights reserved © 2021 ajkertanore.com
Developed by- .:: SHUMANBD ::.